আগামী ১০ বছর কালো টাকা ব্যবহারের সুযোগ চায় রিহ্যাব

58

02দেশের সম্ভাবনাময় আবাসন শিল্পকে রক্ষা এবং অর্থ পাচার রোধে আগামী ১০ বছর অপ্রদর্শিত অর্থ বা কালো টাকা ব্যবহারের সুযোগ দেয়ার দাবি জানিয়েছে আবাসন খাতের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। এছাড়া রেজিস্ট্রেশন ফি, স্ট্যাম্প ডিউটি, গেইন ট্যাক্স কমানো, দ্বিতীয়বার ফ্ল্যাট বা প্লট ক্রয়-বিক্রয় ব্যবস্থা চালু করা অর্থাৎ সেকেন্ডারি বাজার চালু করারও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। গত রোববার রাজধানীর সোনারগাও হোটেলে আবাসন শিল্প রক্ষার্থে ‘আসন্ন জাতীয় বাজেট ২০১৬-১৭’ এ রিহ্যাবের দাবি প্রস্তবনা শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরে রিহ্যাব। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট আলমগীর শামসুল আলামিন। তিনি বলেন, ‘অর্থ পাচার রোধ কল্পে কোনো শর্তছাড়া আবাসন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিযোগের সুযোগ প্রদান করা প্রযোজন। আগামী ১০ বছরের জন্য এ নীতি গ্রহণ করলে দেশে বিশাল উন্নয়ন সম্ভব। আমরা চাইবো সরকার সোর্সে কালো টাকা বন্ধ করুক। ব্যবহারে ১০ বছরের জন্য প্রশ্ন না করুক। স্বল্প ও মধ্যবিত্ত আয়ের শ্রেণির জন্য তহবিল গঠনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘স্বল্প ও মধ্যবিত্ত আয়ের শ্রেণির জনসাধারণ জন্য ‘হাউজিং লোন’ নামে ২০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল গঠন করতে হবে। এই তহবিল গঠনের পূর্বে ‘সিঙ্গেল ডিজিট’ সুদে রি-ফাইন্যান্সিং পুনঃপ্রচলনের করতে হবে। তিনি বলেন, ‘প্রবাসীদের দেশে ফেরা, ব্যাংকের উচ্চ সুদ হার, নতুন জমি সংকট, নির্মাণ সামগ্রীর উচ্চমূল্য, নতুন গ্যাস সংযোগ সমস্যাসহ বিভিন্ন কারণে আবাসন খাতে বিক্রি কমেছে ৮০ শতাংশ এবং উদ্যোক্তাদের নতুন প্রকল্প গ্রহণের হার কমেছে ৯০ শতাংশ। বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণ প্রবাহ কমে যাওয়ায় চরম তারল্য সংকটে পড়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এ পরিস্থিতিতে আসন্ন বাজেটে (২০১৬-১৭) রিহ্যাবের প্রস্তাবিত সুপারিশগুলো বিবেচনা না করলে ভবিষ্যতে এই খাত চরম হুমকির মুখে পড়বে। বড় রাজস্ব আদায় থেকে রাষ্ট্র বঞ্চিত হবে। সংবাদ সম্মলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রবিউল হক, লিয়াকত আলী, মো. আনোয়ারুজ্জামান, ওয়াহিদুজ্জামান, প্রকৌশলী সরদার মো. আমিন প্রমুখ।

SHARE