পিরোজপুরের কচা নদীতে ৮ম মৈত্রী সেতু করবে চীন

05চীন সরকার বাংলাদেশে আরেকটি মৈত্রী সেতু করবে, যেটি প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ হবে। বরিশাল-ঝালকাঠি-ভান্ডারিয়া-পিরোজপুর-বাগেরহাট-খুলনা সড়কে পিরোজপুরের চরখালী ফেরীঘাটে কচা নদীর উপর বাংলাদেশকে অনুদান হিসেবে এ সেতু নির্মাণ করে দেবে চীন। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার চীন ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে পাঁচ কোটি ডলারের একটি অনুদান চুক্তি হয়েছে; বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে চুক্তিতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) জ্যেষ্ঠ সচিব মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিন ও ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত মা মিনকিয়াং সই করেন। চুক্তি সইয়ের পর ইআরডির জ্যেষ্ঠ সচিব মেজবাহউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, “এর আগে চীন সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বের নিদর্শন স্বরূপ শতভাগ অনুদানে সাতটি সেতু করে দিয়েছে। এবার অষ্টম মৈত্রী সেতু হিসেবে বরিশাল-ঝালকাঠি-ভান্ডারিয়া-পিরোজপুর-বাগেরহাট-খুলনা সড়কের চরখালী ফেরিঘাটে অবস্থিত কচা নদীর উপর ১ হাজার ৪০০ মিটার দৈর্ঘ্যরে একটি সেতু নির্মাণ করে দেবে। তিনি বলেন, প্রকল্পটিতে সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়কসহ ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৪০ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। শুধু সেতু নির্মাণে লাগবে ৪০০ কোটি টাকা, যার পুরোটাই চীন সরকার দেবে। বাকি অর্থ সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে দেওয়া হবে। এর আগে চীন সরকার যে সাতটি মৈত্রী সেতু নির্মাণ করেছে তার সর্বশেষটি হয়েছে মাদারীপুর-শরীয়তপুর-চাঁদপুর সড়কে আড়িয়াল খাঁ নদীতে। নির্মাণ কাজ শেষে সম্প্রতি সেটি যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

SHARE