রোহিঙ্গাদের ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে ২৭ চেক পোস্ট

মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের কক্সবাজার থেকে ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে পুলিশ চট্টগ্রাম অঞ্চলে ২৭টি চেক পোস্ট বসিয়েছে। দমন-পীড়নের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা মিয়ানমারের এই নাগরিকদের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়ার কয়েকটি ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার প্রেক্ষাপটে শনিবার চট্টগ্রাম নগরীতে নগরীতে এক মতবিনিময় সভায় এই তথ্য জানান পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি এস এম মনির-উজ-জামান। তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গারা যাতে কোনো অবস্থাতেই মূল ভূ-খ-ে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে বিষয়ে পুলিশসহ প্রশাসন সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছে। তাদের কক্সবাজারে সীমিত রাখার কাজ চলছে। ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও চট্টগ্রামে পুলিশের মোট ২৭টি চেক পোস্ট বসানো হয়েছে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের মুখে তিন সপ্তাহে চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে। আগে থেকে বাংলাদেশে রয়েছে চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা। নতুন আসা রোহিঙ্গাদের রাখতে কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালীতে অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে করেছে সরকার। অন্য কোথাও রোহিঙ্গাদের পেলে তাদের সেখানে পাঠানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা, চান্দগাঁও, বাকলিয়া, হাটহাজারী, সীতাকু- এলাকায় রোহিঙ্গাদের আটক করে কক্সবাজারে ফেরত পাঠায় পুলিশ। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি বলেন, এবার এক সঙ্গে অনেক রোহিঙ্গা এলেও চট্টগ্রাম অঞ্চলের সব জেলায় তারা ছড়িয়ে পড়েছে বলে মনে করেন না তিনি। শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলার পূজা উদযাপন পরিষদ এবং পুলিশ সুপারদের নিয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। দুর্গাপূজায় নিরাপত্তার পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের চাপ উৎসবের আনন্দকে ম্লান করতে পারবে না বলেও মনে করেন ডিআইজি। সভায় চট্টগ্রাম রেঞ্জের অ্যাডিশনাল ডিআইজি কুসুম দেওয়ান উপস্থিত ছিলেন।

SHARE